সীতাকুণ্ডের শীর্ষ চাঁদাবাজ, যুবদল ক্যাডার, ইয়াবা জয়নাল প্রকাশ বাউয়ের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা ও লুটের মামলা দায়ের।মামলা নং ১৬৩/১৯

সীতাকুণ্ড পৌরসভা ১নং ওয়ার্ডের জয়নাল আবেদীন প্রকাশ বাউয়ে পিতা -দিদারুল আলম, দাবীকৃত চাঁদা না পাওয়ায় গত ২মে দলবলসহ দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সালাউদ্দিন ছেলান পিতা মৃত নুরুল আল, গ্রাম এয়াকুব নগর এর বাড়িতে গিয়ে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

গুরুতর আহত ছেলানকে দারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মাথায়, হাতে ও পায়ে মারাত্মক আহত করা হয়েছে।মাথায় দুটো সেলাই দেয়া লেগেছে।কর্তব্যরত ডা.বলেছেন যদি এক ইঞ্চি নিচে কোপ পরলে চোখ নষ্ট হয়ে যেত।২মে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় অভিযোগ করে সালাউদ্দিন ছেলান,৫ তারিখ দারোগা ফারুক তদন্ত করে আসে।

জয়নাল হুমকী দিল সীতাকুণ্ড থানা তার কিছুই করবে না।পুলিশে তার বড় মামা আছে,এর চাইতে বড় অপকর্ম করেও সে পার পেয়ে গেছে। উল্টো ছেলান কে ডাকাতি মামলায় ফাসিয়ে দিবে বলে হুংকার দিয়ে যাচ্ছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়,সালাউদ্দিন কে মেরে রক্তাক্ত করার পর থানায় অভিযোগ করায়? পুনরায় ৭মে হামলা চালিয়েছে জয়নাল বাহিনী ছেলানের ঘরে।

সীতাকুণ্ড থানায় অভিযোগ কেন করেছে বলে  ৭ মে ছেলানের বাড়িতে ঢুকে তান্ডব চালিয়েছে জয়নাল বাহিনী।ছেলানের স্ত্রী নুর বাহারকে মেরে রক্তাক্ত করেছে।ঘরে ঢুকে আলমারিতে থাকা ৫২,০০০/ টাকা,দুটো বিদেশী মোবাইল সেট,৫ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।যার বাজারমুল্য প্রায় ২৭৪০০০/দুই লাখ চুয়াত্তর হাজার টাকা।

সালাউদ্দিন প্রকাশ ছেলানের ঘরের কাঁচের ক্রোকারিজ ভেঙ্গে তছনছ করে।জয়নাল চিৎকার করে বলে যায়, তার বিরুদ্ধে জিডি,অভিযোগ করলে উল্টো মামলা খেতে হয়।

এলাকায় তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাধারন জনগন। কেউ তার বিরুদ্ধে জিডি বা অভিযোগ করলে কয়দিন পরেই উল্টো হামলা মামলার স্বীকার হতে হয়।সমাজে কেউ ভয়ে স্বাক্ষী দেয় না।ইয়াবা জয়নালের গডফাদারদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে পৌরবাসী জোর দাবী জানিয়েছেন।

জয়নাল প্রকাশ বাউয়ের পিতা দিদারুল আলম,ও তার বড় ভাই নিজাম উদ্দীন বাউয়ে সকলেই সীতাকুণ্ড মডেল থানায় নাশকতা মামলার আসামী বলে জানা যায়।

এবিষয়ে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন সালাউদ্দিন প্রকাশ ছেলান।মামলা নং ১৬৩/১৯..

জয়নাল প্রকাশ বাউয়ের মতামত জানতে কল করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *