খেজুর খেলে দূরে থাকে যেসব রোগ

শুধু রমজান মাস এলেই আমাদের খেজুরপ্রীতি বেড়ে যায়। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন খেজুর এতটাই উপকারি যে শীতকালে আমাদের দৈনিক খাদ্য তালিকাতেই জায়গা পেতে পারে। 

ওজন কমানোর জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে খেজুর।

১. শরীরের তাপ বজায় রাখে: খেজুরে বিপুল পরিমাণে ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং ম্যাগনেশিয়াম থাকার কারণে এটি শরীর গরম রাখতে খুব সাহায্য করে।

২. ঠান্ডা কমায় : ঠান্ডায় খুব হাঁচি-কাশি হচ্ছে। চিন্তা নেই। এখনই ২-৩ টে খেজুর, কিছুটা মরিচ আর ১-২ টো এলাচ নিয়ে গরম জলে ফেল সেদ্ধ করে নিন। দাঁড়ান দাঁড়ান, এখনই খাবেন না। শুতে যাওয়ার আগে ওই জল খেয়ে নিন।

৩. অ্যাজমা সারায়: শীতে যে যে রোগ খুব মাথাচারা দিয়ে ওঠে তার মধ্যে অন্যতম হল হাঁপানি বা অ্যাস্থেমা। প্রতিদিন সকালে আর বিকালে নিয়ম করে ১-২ টো খেজুর খান। দেখবেন শীতকালে আর হাঁপানি হচ্ছে না আপনার।

৪. শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে: খেজুরে যেহেতু অনেক পরিমাণে প্রাকৃতিক মিষ্টি থাকে, তাই এই ফলটি খেলে নিমেষ শরীরের শক্তি বেড়ে যায়।

৫. কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়: কেয়েকটা খেজুর নিয়ে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে খেজুরটা ফাটিয়ে জলে মিশিয়ে সেই জল পান করুন। দেখবেন কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা কেমন কমতে শুরু করেছে। আসলে খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে দারুণ কাজে আসে।

৬. হার্টের জন্য ভালো: হার্টকে ভালো রাখে। আর একথা তো সকলেরই জানা যে খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। তাই এই ফলটি খেলে হার্ট যেমন ভালো থাকে, তেমনি হার্টরেটও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফেল কমে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা।

৭. আর্থারাইটিস কমায়: শীতে যারা আর্থ্রারাইটিসের সমস্য়ায় খুব ভোগেন তারা আজ থেকেই খেজুর খাওয়া শুরু করুন। এতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ থাকার কারণে আর্থ্রারাইটিসের ব্য়থা কমাতে এটা দারুন কাজে দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *