বাল্যবিবাহের গ্রাস থেকে এক ১৫ বছর বয়সী কন্যাকে মুক্ত করলেন ইউএনও

চলছে তাহমিনা সুলতানা নামের এক অল্প বয়সী স্কুল শিক্ষার্থীর বিয়ে,বর যাত্রী ও পৌছে গেছে কনের বাড়ীতে, সে সময় হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন খবর পেয়ে ছুটে যান কনের বাড়িতে এবং রুখে দেন বিবাহ।ঘটনাটি ঘটে হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়নের ফকিরহাট এলাকায়।

জানা যায়,১৩ মে সোমবার তাহমিনা সুলতানার সঙ্গে তার খালাতো ভাইয়ের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রুহুল আমিন মুঠোফোনে খবর পেয়ে উক্ত এলাকার মসজিদের ইমাম, স্কুল শিক্ষক, কাজী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে কনের বাড়িতে যান, তিনি দেখেন মেয়েটির বয়স এখনো ১৫-১৬ বছর।এ সময় কনের পরিবার ও উপস্থিত বরের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেয় রুহুল আমিন।মেয়েটি (তাহমিনা) ওই এলাকার মাহবুব আলমের কন্যা ।সে হাটহাজারী গালস্ স্কুল এন্ড কলেজের ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউএনও রুহুল আমিন জানান, মেয়েটির অভিভাবক ১০ম শ্রেণি পড়ুয়া ১৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী তাহমিনাকে তার খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে বাল্যবিবাহ দিচ্ছেন খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ও বাল্যবিয়ে বন্ধ করি। মেয়ের বাবা ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করে এবং মেয়েকে পড়াশোনা করিয়ে ১৮ বছর বয়স হলে বিয়ে দিবেন বলে মুচলেকা দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *