মাহে রমজান: বরকতময় একটি মাস

এস এম তৌহিদুল আলম; আজ দিন শেষেই পশ্চিম আকাশে উদিত হবে রমজানের বাঁকা চাঁদ আগমন হবে বরকতময় একটি মাসের।সকল মুসলিম উম্মাহর জন্য যা মহান আল্লাহর একটি দেয়া বড় একটি নেয়ামত সরূপ। সর্য্যের আলো নিবিয়ে গেলেই মসজিদে মসজিদে শুরু হয় মাহে রমজান উপলক্ষে মধুর কণ্ঠে রমজানের গজল গাওয়া ।মনে হয় যেন প্রতিযোগীতার আসর জমেছে। অন্ধকার আর একটু ঘনিয়ে আসলেই মুয়াজ্জিনের আযানের ধ্বনি শুনে ধর্মপ্রণ মুসলমান ছুটে যাই মসজিদে সুন্নাত,ফরজ ও নফল নামাজের পর আরম্ভ হয় বিশ রাকাতের রাতাবির নামাজ। দীর্ঘ সময় নামাজ শেষে আল্লাহর রহমত অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে নিষ্পাপ করার সুযোগটি হাত ছাড়া করেনা কেউ। কেউ কেউ সারারাত ইবাদাত বন্দেগীতে মশগুল থাকে।গুনগুন করে কোরআন তেলওয়াত সহ বিভিন্ন নফল ইবাদত আদায় করে। মধ্য রাতে ঘুম থেকে ওঠে সেহেরি খেয়ে সারা দিন সিয়াম পালনের উদ্দেশ্যে সংকল্প করে দীর্ঘ ১৭ঘন্টা প্রায় কোনো কিছু না খেয়ে আল্লাহর হুকুম পালন করে রোজা রাখে যা শুধু মাত্র মহান আল্লাহ তায়ালার জন্য। হাদীসে কুদ্সীতে এসেছে ‘আল্লাহ বলেন, রোজা আমার জন্য, আর আমি নিজেই এর পুরস্কার দেব।’ বাস্তবে সব ইবাদত মানুষ দেখতে পায়। একমাত্র রোজার ইবাদত মানুষ দেখতে পায় না। রোজাদারের মতো থেকেও একজন মানুষ যদি গোপনে কিছু খায়, তা কারো পক্ষেই জানা সম্ভব নয়। এটা একমাত্র জানবেন আল্লাহ। আর এ জন্যই এ রোজার প্রতিদান আল্লাহ তা’য়ালা নিজেই দিবেন। সারা জাহানের প্রতিপালক, মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর নিজের দেয়া পুরস্কার কত মূল্যবান হবে তা আমাদের কল্পনার রাজ্যেও রূপ দেয়া অসম্ভব। এই রহমত বা বরকতময় মাসে সকলে যেন পরিপূর্ণ ভাবে সিয়াম পালন করতে পারে এবং অাল্লাহর অনুগত লাভ করতে পারে এই প্রত্যাশা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *