গরমে সুস্থ থাকার নয় সূত্র

গ্রীষ্মের তাপদাহে জনজীবন হয়ে পড়ে অস্থির। গরমের অস্বস্তি থেকে বাঁচতে সবাই একটু ঠাণ্ডা পরশ খোঁজে। অতিরিক্ত গরমে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা, ডায়রিয়া, খাদ্যে বিষক্রিয়াসহ বিভিন্ন সমস্যা হয়।

তবে একটু সচেতন হলে গরমেও সুস্থ থাকা যায়। গরমে সুস্থ থাকতে রইল কিছু পরামর্শ।

১. গরমের সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করুন। পাশাপাশি তরল খাবার খান। তবে বাজারের অস্বাস্থ্যকর খোলা লেবুর শরবত, আখের রস, তরমুজের রস ইত্যাদি খাবেন না। কারণ, বাইরের অস্বাস্থ্যকর ফলের রস থেকে খাদ্যবাহিত বিভিন্ন রোগ যেমন, ডায়ারিয়া, জন্ডিস  ইত্যাদি হতে পারে।

২. গরমের সময় পানিযুক্ত তাজা দেশি ফল যেমন, তরমুজ, পেঁপে, কলা, শসা, জামরুল ইত্যাদি বেশি করে খান।

৩. গরমে ঘাম জমে শরীরে ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে। তাই ঘাম জমতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে প্রত্যেক দিন আন্ডারওয়্যার ও মোজা পরিষ্কার করুন। গরমের এই দিনে মোটা কাপড় না পরাই ভালো। এ সময় সুতি কাপড়কে প্রাধান্য দিন।

৪. গরমকালে রাস্তাঘাটে ধুলার উপদ্রব বেড়ে যায়। তাই  বাহির থেকে বাসায় এসে ভালো করে মুখ-হাত ধুয়ে ফেলুন।

৫. গরমে বাইরে বের হতে হলে টুপি বা ছাতা ব্যবহার করুন। আর প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়াই ভালো।

৬. গরমের সময় গোসল বাদ দিবেন না। প্রয়োজনে কয়েকবার গোসল করতে হবে।

৭.  এ সময় বেশি মসলাযুক্ত খাবার এবং রাস্তায় বিক্রি হওয়া খোলা খাবার এড়িয়ে চলুন। চা ,কফি , কোমল পানীয় খাবেন না। কারণ, এসব খাবার  শরীরে পানিস্বল্পতা তৈরি করে ।

৮. গরমের সময় খাবার তাড়াতাড়ি পচে যায় বা খাবারে বিষক্রিয়া হয়। এগুলো থেকে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা হতে পারে। তাই, খাবার যেন টাটকা হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

৯. গরমে প্রস্রাবের রঙের দিকে খেয়াল রাখুন। প্রস্রাবের গাঢ় রং পানি স্বল্পতার লক্ষণ। দীর্ঘ সময় গরমে থাকলে স্যালাইন পান করুন।

লেখক : সভাপতি, বিশুদ্ধ খাদ্য চাই এবং সহকারী অধ্যাপক, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ, সাভার, ঢাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *